Posts

নওগাঁয় আইন-শৃঙ্খলা পরিসি'তির কোন উন্নতি হয় নি

নওগাঁ জেলা পুলিশের সাঁরাশি অভিযানের ফস্কোগেড়ার ফলে ২/৩ দিন আত্নগোপনে থেকে বেরিয়ে এসে নওগাঁ শহরের বখাটে ও নেশাগ্রস' কিশোর যুবকেরা আবারো শহরে বীরদর্পে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে শহরে আইন শৃঙ্খলা পরিসি'তির অবনতি নিয়ে গত ৩ মার্চ জেলা প্রশাসনের এক সভায় খোদ জেলা প্রশাসক আহসান হাবীব তালুকদার শহরবাসীকে শতর্কভাবে চলাচলের অনুরোধ জানিয়েছেন। চলতি বছরের মধ্য জানুয়ারী থেকে নওগাঁ জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিসি'তি ভেঙ্গে পড়ায় জেলায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই অস্বাভাবিক রকমের বেড়ে যায়। পরিসি'তি এতোই ভয়াবহ হয়ে উঠে যে রাতের বেলা শহরে রিক্সা চলাচল পর্যনৱ বন্ধ হয়ে পড়ায় রাত ১১ টার পর ঢাকা থেকে রাতের কোচে নওগাঁ আসা বা পার্শ্ববর্তী শানৱাহার জংশনে আসা বিভিন্ন ট্রেনে নওগাঁর বাইরে থেকে আগত যাত্রীরা শহরের ঢাকা বাসষ্ট্যান্ডে ও শানৱাহার ষ্টেশনে সারা রাত দাড়িয়ে কাটাতে বাধ্য হন। এরকম পরিসি'তিতে গত ২৪ ফেক্রয়ারী ঢাকা ফেরত পুলিশের এক এএসআই ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে তাদের হাতে আহত হয়ে মৃত্য বরণ করেন। এ ঘটনার পর জেলা পুলিশ শহরে সাঁরাশি অভিযান চালিয়ে শহরের বখাটে ও নেশাগ্রস' কিশোর-যুবক সহ চিহ্নিত অপরাধিদের গ্রেপ্তা...

বন্ধু হতে চাই

যদি তুমি বন্ধু হতে চাও দু'হাত বাড়িয়ে দাও, আমার তরে। যদি তুমি শত্রু হতে চাও ঘৃণা করিওনা আমায় রাখিও তোমার হৃদয়ের মাঝে। যদি তুমি বন্ধু হতে চাও হাত বাড়িয়ে দাও, আমার তরে। যদি তুমি হতে চাও, সত্যিকারের বন্ধু ! তোমার দুঃখে দূঃখী হয়ে, তোমার সুখে সুখী হয়ে, তোমার সাথে থাকব সারা জীবন। যদি তুমি বন্ধু হতে চাও দু'হাত বাড়িয়ে দাও, আমার তরে।

উত্তরাঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে, কৃষিতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা

উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ক্রমশ নিচে নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। চলতি বোরো মৌসুমে পুরোদমে সেচকাজ শুরুর আগেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেচ কাজে ব্যবহৃত শ্যালো পাম্প এমনকি হস্তচালিত নলক‚পগুলোতে ঠিকমতো পানি উঠছে না। এরইমধ্যে বেশকিছু হস্তচালিত নলক‚প অকেজো হয়ে পড়েছে। পানি কম ওঠায় আরো গভীরে নামানো হচ্ছে শ্যালো পাম্পের পাইপ। পানির স্তর ক্রমাগত নিম্নমুখী হওয়ায় বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি উৎপাদনে এবার মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নওগাঁ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গত বছরের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট নিচে রয়েছে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ও অপরিকল্পিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে কৃষি উৎপাদন দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, প্রতি বছরই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১ থেকে ২ ফুট করে নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে অগভীর সেচ পাম্পগুলো ১০ থেকে ১৫ ফুট গভীর গর্তে নামিয়ে সেচ কাজ চালানো হচ্ছে। তাতেও ঠিকমতো পানি না ওঠায় পাম্পগুলো আরো ৫ থেকে ৬ ফুট গভীরে নামানো হচ্ছে। বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা বিএ...

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় মালী থেকে ড্রাইভার

নওগাঁ জেলার সর্ববৃহৎ উপজেলা মান্দা উপজেলার প্রায় সোয়া ৪ লক্ষ লোকের সার্বিক পরিসি'তি দেখাশুনার মুনিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তিনি সরকারের বেতন ভূক্ত একজন ড্রাইভারকে বসিয়ে রেখে উপজেলা পরিষদের মালীকে ড্রাইভিং কাজে ব্যবহার করা করছেন। জানা যায়, উপজেলার সরকারি ড্রাইভার বাসায় বসিয়ে রেখে সরকারি বেতন দিয়ে উপজেলা পরিষদের মাষ্টার রোলের বেতনভূক্ত একজন মালিকে দিয়ে সরকারের সেই দামী গাড়ীটি চালানো হচ্ছে। একজন অদক্ষ ভারী লাইসেন্স বিহীন ড্রাইভারকে দিয়ে গাড়ী চালানোর নীতিমালা আছে কি-না তা নিয়ে উপজেলার সুধীজনের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় চলছে। বড় কর্তার ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলার কেউ নেই। কেন বা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার সরকারের নিয়োগকৃত ড্রাইভারকে বসিয়ে রেখে তার মালীকে দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করছে তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলায় নানা রকম গুঞ্জন চলছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে নওগাঁ সদর, মান্দা, নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার, মহাদেবপুর, বদলগাছী উপজেলায় সংস'াপন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদেয় দামী পাজোরো গাড়ীগুলো নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ সরকারি কাজকর্ম করার জন্...

নওগাঁর মান্দায় বড়ই পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ৪ গ্রেফতার ৫

বুধবার নওগাঁর মান্দায় বিরোধীয় জমির উপর অবসি'ত বড়ই গাছ থেকে বড়ই পাড়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলা ও উপর্যপুরি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ২ সহোদর নিহত ও তাদের বাবা, মা সহ ৪ জন মারাত্মক আহত হয়েছে। জনতা ৫ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। নওগাঁর পুলিশ সুপার মো: মোফাজ্জেল হোসেন ঘটনাস'ল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের রাঙামাটি গ্রামের আনোয়ার হোসেনের সাথে বেলাল হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান- বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বুধবার বেলা ১১ টার দিকে বিরোধীয় জমির উপর অবসি'ত একটি বড়ই গাছ থেকে বড়ই পাড়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির সূত্রপাত ঘটে। এসময় আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল লোক সন্ত্রাসী কায়দায় ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিপক্ষ বাবুল হোসেনের বাড়ীতে হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের উপর্যপুরি আঘাতে ঘটনাস'লেই বাবুল হোসেনের ছেলে চকউলি ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র আব্দুর রশিদ (২৩) নিহত হয়। পরে মারাত্মক আহত অবস'ায় ৫ জনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর সময় দেলুয়াবাড়ী নামক স'ানে নিহত আব্দুর রশিদের বড় ভাই মানিক হোসে...

নদীতে বাঁশরে বেড়া দিয়ে মাছ শিকার

নওগাঁর মান্দা উপজেলার আত্রাই নদীতে নিষিদ্ধ ঘেরজাল ও বাঁশের বেড়া দিয়ে মাছ শিকার করছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। শ্রীমন্তপুর ঘাট থেকে মিঠাপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার নদীতে ৭০ থেকে ৮০টি স্থানে এভাবে বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে স্থানীয় মত্স্যজীবীরা নদীতে জাল ফেলতে পারছেন না। সরেজমিন ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর থেকে এসব প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি শুরু হয়। ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে। এসব প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক নৌযান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার মদনচক গ্রামের লোকমান হোসেন, বানডুবি গ্রামের আশরাফ হোসেন, বৈদ্যপুর গ্রামের ফায়েজুল হোসেনসহ স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গোপিনপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাক, ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য ইব্রাহিম হোসেন, বানডুবি গ্রামের হরেন্দ্রনাথ, কালিকাপুর গ্রামের হারুন, বৈদ্যপুর গ্রামের বারেকুল ইসলাম, গোড়রা গ্রামের আফাজ পিয়াদা, পাঁঠাকাটা গ্রামের বিমলচন্দ্র হাওলাদার, জোতবাজারের প্রদীপ হাওলাদার, পারইল গ্রামের মোজাম্মেল হকসহ মান্দা উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত কয়েকজন কর্মচারী নদীতে এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। বেশির ভাগ পয়েন্ট...

কেমন আছেন গ্রামবাসী?

সাদামাটা চোখে দেখা যায়, বিশ্বের বড় বড় দাতাগোষ্ঠী তথা উন্নত বিশ্ব আমাদের জন্য অনেক কিছুই করছে। সবই আমাদের ভালোর জন্য। কিন্তু সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন জাগে, তারা কি সত্যি সত্যিই আমাদের কিংবা আমাদের মতো স্বল্পোন্নত দেশের কল্যাণের জন্য কিছু করে? এ যাবৎকালের অভিজ্ঞতা তো তা বলে না। কতই না প্রতিশ্রুতি শুনি উন্নত বিশ্বের। আমাদের কল্যাণে তারা কতই না ছাড় দেবে? আর এসব কথা শোনা যায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে, যেখানে উন্নত-স্বল্পোন্নত-অনুন্নত সব এক হয়। দরিদ্রদের প্রতি করুণা বর্ষণের প্রশ্নে কারোই তুলনা নেই। এই যে বছরের ৩৬৫ দিনই কোনো না কোনো দিবস পালন হয়, এর মধ্যে কোনোটি এ দেশে উদযাপিত হয়, আবার কোনোটি হয় না। আমার জানা মতে, ৯৮টি আন্তর্জাতিক দিবস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দিবস, যেগুলোর বাতাস এ দেশেও পেঁৗছতে শুরু করেছে। দিবস পালন হোক_ এ ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য নেই। কিন্তু কথা হচ্ছে, সব দিবস কি আমাদের জীবনে কোনো প্রভাব ফেলে? নিশ্চয়ই নয়। কোনো কোনো দিবসের তাৎপর্য রয়েছে; সব ক'টির নয়। দিবসগুলোতে যেসব বড় বড় বুলি আমরা উন্নত বিশ্ব তথা দাতা সংস্থা থেকে শুরু করে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে শুনতে পাই, দিবস...

সালতামামি ২০০৯

জানুয়ারি জানুয়ারি ০৩ : শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শপথ নেন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের নবনির্বাচিত ২৫৮ সাংসদ। জানুয়ারি ০৬ : সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিদায়। ত্রয়োদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। গঠিত হয় ৩১ সদস্যের মন্ত্রিসভা। জানুয়ারি ২২ : ১৭ বছর পর সারাদেশে উপজেলা নির্বাচন। (৪৮১ উপজেলার মধ্যে একটিতে ছাড়া বাকি ৪৮০টিতে এদিন নির্বাচন হয়) জানুয়ারি ২৪ : ছয়জন প্রতিমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে মন্ত্রিসভার কলেবর বৃদ্ধি। জানুয়ারি ২৫ : নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু। এদিন রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে শপথ ভঙের অভিযোগে বিএনপি ও চারদলের অন্য শরিকদের ওয়াকআউট। ফেব্রুয়ারি ফেব্র"য়ারি ১২ : দেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা মো. জিল্লুর রহমানের শপথ গ্রহণ। ফেব্র"য়ারি ২৫: বিডিআর সদরদপ্তর পিলখানায় জওয়ানদের বিদ্রোহ। ফেব্রুয়ারি ২৬ : অস্ত্র সমর্পণের মধ্য দিয়ে বিডিআর বিদ্রোহের অবসান। ফেব্র"য়ারি ২৭ : বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে তিন দিনের শোক দিবস শুরু। মার্চ মার্চ ০১ : বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সংসদে শোক প্রস্তাব। মার্চ ০২:...

ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্তির জন্য সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে গড়ে তুলতে হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ

মহান মুক্তিযুদ্ধ আত্মত্যাগ ও গৌরবের মহিমায় উদ্ভাসিত। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। মহান বিজয় দিবসের এই পরম লগ্নে আমরা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করি -স্বাধীনতার প্রবাদ পুরুষ জাতির-জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয় এবং জন্ম হয় বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। আমরা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করি অগণিত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের যাঁরা অকাতরে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ পাক-হানাদার মুক্ত হয়েছিলো। অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাগণ বিজয়ীর বেশে এই দিনে ময়মনসিংহ শহরে বীরদর্পে প্রবেশ করেছিলো। অভিষিক্ত হয়েছিলো নতুন স্বদেশে। সেদিনের সে মাহেন্দ্রক্ষণ আমাদের মনে চির-জাগরুক হয়ে থাকবে। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সেই সব বীর সেনাদের। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে দেশকে মেধাশূন্য করার হীন মানসিকতায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঘাতকগোষ্ঠি দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছিলো। মহান স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি রক্তভেজা বেদনাবিধূর দিন ১৪ ডিসেম্বর। ইতিহাসের এই বর্বরতম হত্যাকান্ডে সমগ্র জাতি শোক...

প্রথম আলো - দুবাইকে অপ্রত্যাশিত সহায়তা দিতে এগিয়ে এল আবুধাবি

প্রথম আলো - দুবাইকে অপ্রত্যাশিত সহায়তা দিতে এগিয়ে এল আবুধাবি Posted using ShareThis

চায়ে কমতে পারে ডায়বেটিস

সকালে উঠে গরম গরম চা খেয়ে চোখের ঘুমটা ছাড়িয়ে নেওয়া৷ তার কিছুক্ষন পরে আরেকবার চা খেয়ে আলসেমিটা কাটিয়ে নেওয়া৷ তারপরে বাড়িতে যদি কেউ এসে যায় তার সঙ্গে আরেকবার চায়ের কাপে চুমুক দেওয়া৷ বেশীরভাগ মানুষই দিনের মধ্যে তিনবারেই বেশীই চা খেয়ে ফেলেন৷ তবে দেখবেন চা খাওয়ার মাত্রাটা এর থেকে যেন বেশী না বেড়ে যায়৷ তিনবার চা খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই ক্ষতিকর নয়৷ বরং তাতে মধুমেহ হওয়ার সম্ভাবনা অর্ধেক শতাংশ কমে যায়৷ সম্প্রতি একটি গবেষণাতেই তা প্রমানিত হয়েছে৷ এক্ষেত্রে গবেষকরা প্রমান করেছেন তিন বার চা খেলে ডায়বেটিস হওয়ার কোন ঝুঁকি থাকে না৷ চায়ের মধ্যে বফিন নামে একপ্রকার কেমিক্যাল থাকে যা ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনাকে 42% কম করে দেয়৷ এছাড়া চায়ের মধ্যে ফ্ল্যাভোনয়েড অ্যান্টি অক্সাইড রয়েছে যা শরীরের কোষকে নষ্ট হওয়ার থেকে বাঁচায়৷ তাই সারা দিনে নিশ্চিন্তে তিন বার চায়ের কাপে চুমুক দিতে পারেন৷ সূএ: ওয়েব দুনিয়া বাংলা

 এইচআইভি প্রতিরোধে নতুন টিকা, সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কমবে

এইচআইভি প্রতি-রোধে গবেষকেরা একটি নতুন টিকা তৈরি করেছেন। এই টিকা এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমাবে বলে দাবি করছেন এর উদ্ভাবকেরা। মার্কিন সেনাবাহিনী ও থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে সাত বছর গবেষণা করে এ টিকা তৈরি করেছে। গবেষকেরা বলছেন, আগের দুটি টিকার সমন্বয়ে নতুন এই টিকা তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টিকা তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অভিনন্দন জানিয়েছে। চিকিত্সাবিজ্ঞানবিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেট-এর সম্পাদক রিচার্ড হার্টন প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, গবেষণার ফলাফল উত্সাহব্যঞ্জক। এইডসের টিকা তৈরির ক্ষেত্রে এক দশকের মধ্যে এটি প্রথম ইতিবাচক সংবাদ। তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকা উচিত। নতুন উদ্ভাবন জরুরিভাবে পুনঃ পুনঃ প্রয়োগ করে এর ফলাফল অনুসন্ধান করা দরকার।’ থাইল্যান্ডের এইচআইভি/এইডসের ঝুঁকিতে আছে এমন ১৬ হাজার নারী ও পুরুষের ওপর এই টিকার পরীক্ষামূলক ব্যবহার হয়েছে। গবেষকেরা দাবি করছেন, টিকা নিয়ে কোনো গবেষণায় এর আগে এত বেশিসংখ্যক মানুষকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। এ গবেষণায় অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি অ্যান...

প্রতি আট মাসে একটি নতুন রোগের ঝুঁকি "প্রতিরোধে দেশের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়"

দেশে এখন সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণ ঘটছে। এর আগে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ ছিল। সেই সংক্রমণ দেশের পোলট্রিশিল্পে বিপর্যয় ঘটায়। মানুষের মধ্যে পাখির রোগ ছড়াতে পারে—এ আশঙ্কা ছিল। সেই আশঙ্কা শেষ হয়নি। মাঝে নিপা ভাইরাসে মানুষের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিলেন দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানীরা। নিপা ভাইরাস ছড়ায় বাদুড়ে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি আট মাসে নতুন একটি রোগে মানুষের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর মানুষ নতুন নতুন সংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে। গবেষকেরা বলছেন, মনুষ্য প্রজাতি গত ২৫ বছরে ৩৫টি নতুন সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, মানুষের অতিমাত্রায় বিশ্ব ভ্রমণের কারণে সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নীতীশ দেবনাথ বলেন, মেক্সিকোতে সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে সারা পৃথিবীতে তা ছড়িয়ে পড়ল। মেক্সিকো থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব ১৪ হাজার মাইল, কিন্তু সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণে বাংলাদেশে মানুষের মা...

বাংলাদেশের বিভাগ ও অন্তরভূক্ত জেলা সমহ

আজ আমি যখন আমার দোকানে ছিলাম আমার দুই জন রোমমেট এসে বলিল - ভাই আপনি একটা সমস্যার সমাধান করেদেন আমি তাদেরকে বলিলাম কি সমস্যা আমাকে বলেন । "তাদের কথা কথা হল বাংলাদেশ সম্পর্কে রাজশাহী ও যশোর নিয়ে এক ধরনের দন্দ্ব বেধে গেছে । এক জন বলে রাজশাহী এ যশোর ভিন্ন ভিন্ন বিভাগ আর অন্য জনের কথা রাজশাহী বিভাগ কিন্তু যশোর বিভাগ নয়। এই সব শোনার পরে আমি তাদের কে বলিলাম রাজশাহী বিভাগ আর যশোর খুলনা বিভাগের অন্তরগত জেলা শহর । তারা আমার কথা বিশ্বাস করিলনা ঠিক সেই সময় আমি তাদের কে রেফারেন্স হিসাবে ইন্টারনেট থেকে বাংলা উকিপিডিয়ার খুলনা বিভাগের পাতা থেকে খূলনা বিভাগের জেলা সমহ দেখালাম।" তাদের চলে যাবার পর আমাদের রোমমেট মামু কাছে জানিতে পারিলাম তারা দুই জন পনের দেরহাম দিয়ে বেট লেগেছিল । আর সবার বড় কথা হল তার দুই জনই নোয়াখালীর জেলার রাজশাহী বা যশোরের নয় । আমরা প্রায়ই আমাদের দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহর সম্পর্কে অবগত নয় । আমাদের সবার উচিত নিজের দেশ অর্থাৎ মাতৃভূমি বাংলাদেশ সম্পর্কে ভাল ভাবে জানা দরকার । তাহলে বেডাবেডির প্রয়োজন থাকবেনা । বাংলাদেশের বিভাগ ও অন্তরভূক্ত জেলা সমহ বরিশাল বিভাগ: বরগুনা,...

wordpress

http://kzaman007.wordpress.com

Install the ShareThis Bookmarklet

Install the ShareThis Bookmarklet Posted using ShareThis

আজ ৭ই আগষ্ট আমার জন্ম দিন

আজ ৭ই আগষ্ট আমার জন্ম দিন আমার মনেই ছিলনা । ফেসবুকে ফারুক ভাই আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পরই আমি জানিলাম আজ আমার জন্ম দিন । এই কথাটি মনে করে দেওয়ার জন্য আমি অবশ্য ফারুক ভাইকে ধন্যবাদ জানিয়াছিলাম । তবে সত্য কথা বলতে আমার আগের ২৫টি জন্ম দিনে কেউ এমন ভাবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানি । আর দ্বিতীয় ব্যক্তি সাকির ভাই বা বন্ধু বলা যায় । সে ভারতের মাদ্রাসের সে আমার অনেক ভাল একজন বন্ধু তার ভাষা অনুযায়ী আরব আমিরাতে প্রথম বিশ্বাসী বন্ধু । সে আমার ইয়াহু ম্যাসেন্জারে টাস্টাস দেখে আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিল ।

“নওগাঁয় মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা”

যুদ্ধ অর্থাৎ নিষ্ঠুরতা এবং মানবতার মৃত্যু। তবুও কখনও যুদ্ধ করতে হয় জাতিকে বাঁচাবার জন্য যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আঘাতে বিশেষ ভাবে আক্রান- নারী ও শিশুরা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে নিরিহ জনগনের উপর পাকিসৱানী সেনাবাহিনীর আগ্রাসনে এবং ২৬৬ দিন ব্যাপী পাইকারী গনহত্যা এবং নির্যাতনের ফলে প্রায় ত্রিশ (৩০) লাখ লোক শহীদ হয় বলে ধারনা করা হয়। এই বিপুল সংখ্যক নর- নারী তুলুনায় উভয় পক্ষের সেনা- সদস্য ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা অতি নগন্য। একাত্তরে দেশের অন্যান্য স‘ানের ন্যায় তৎকালিন নওগাঁ মহকুমাতে নারীরা নির্যাতিত ও ধর্ষিত হয়েছেন। স্বাধীনতার এত বছর পর লোকলজ্জার ও সামাজিকতার দিকে চেয়ে কেহই মুখ খোলেননি, সংগত কারনেই শম্ভ্রম হারানো মায়েদের সর্বচ্চো ত্যাগের ইতিহাসটি অনুদৃঘটিত রয়ে গেল । হাতে গোনা কিছু মানুষ বাদে মুক্তিযুদ্ধের গোটা জাতি অংশ গ্রহন করেছিল, বাঙ্গালির অসপ্রদায়িক চেতনা ধর্মীয় সপ্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করেছিল” জাগো – জাগো বাঙ্গালি জাগো ”, তোমার আমার ঠিকানা – পদ্মা- মেঘনা – যমুনা ”, “ বীর বাঙ্গালি অস্ত্রধর – বাংলাদেশ স্বাধীন কর”, “ কুর্মিটলা দখল কর বাংলাদেশ স্বাধীন কর ”, এই ছিল লক্ষ কোটি বাঙ্গালির শ্ল...

ডিপ টিউবয়েলের পানিতে আগুন

নওগাঁ জেলার মান্দা থানার ১২ নম্বর কাঁশ পাড়া ইউনিয়নের নাপিতপাড়া গ্রামের মো: মামুনের ডিপ টিউবয়েলের পানির সঙ্গে বেশ কয়েক দিন ধরে বুদবুদ আকারে গ্যাস বের হচ্ছে এবং উক্ত পানিতে আগুন ধরার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। মান্দা থানার নাপিতপাড়া গ্রামের মো: নাসির মোহরীর ছেলে মো: মামুনের ডিপ টিউবয়েল ফসলে পানি দেওয়ার জন্য চালু করিলে পানির সঙ্গে গ্যাস বুদবুদ আকারে বের হতে দেখা যায়। ডিপ টিউবয়েলে পাইবের মুখের নিকট দিয়াশলাই দ্বারা অগি্ন সংযোগ করিলে পানিতে আগুন জ্বলতে থাকে। অত্র এলাকায় কয়েক বছর আগে অন্য আরেকটি ডিপ টিউবওয়েলে এরুপ ঘটনার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল।উক্ত ঘটনায় অত্র এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সষ্টি হয়েছে। বহু লোক সেখানে উক্ত ঘটনা দেখার জন্য ভীড় জমাচ্ছে। সূএঃ এসএনএন মিডিয়া

খন্দকের যুদ্ধ

মদীনা থেকে বেরিয়ে গিয়ে বনু নযীর গোত্রের লোকেরা ইসলামের বিরুদ্ধে এক বিরাট ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলো। তারা আশপাশের গোত্রগুলো মুসলমানদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করে তুললো। মক্কায় গিয়ে কুরাইশদেরকে তারা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করলো এবং এই মর্মে প্রস্তাব দিলো যে, সবাই মিলে এক সংগে হামলা করলে এই নয়া আন্দোলনকে খুব সহজে ধ্বংস করে দেয়া যাবে। কুরাইশরা এরূপ প্রস্তাবের জন্যে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলো। অবশেষে ইহুদী ও কুরাইশদের সমবায়ে প্রায় দশ হাজার লোকের এক বিরাট বাহিনী গঠিত হলো। হযরত (স) মদীনা আক্রমণের এই বিপুল আয়োজন সম্পর্কে সাহাবীদের সঙ্গে পরামর্শ করলেন। হযরত সালমান ফারেসীর (রা) পরামর্শ দিলেন যে, এতো বড়ো বাহিনীর সঙ্গে খোলা ময়দানে মুকাবিলা করা সমীচীন হবে না। আমাদের সৈন্যদেরকে মদীনার নিরাপদ স্থানেই থাকতে হবে এবং দুশমনরা যাতে সরাসরি হামলা করতে না পারে, সেজন্যে নগরীর চারদিকে পরিখা (খন্দক) খনন করতে হবে। ৪৪ এই অভিমতটি সবার মনোপুত হলো এবং পরিখা খননের প্রস্তুতি চলতে লাগলো। খন্দকের প্রস্তুতি মদীনার তিন দিক ঘর-বাড়ি ও খেজুর বাগান দ্বারা পরিবেষ্টিত আর একদিক মাত্র উন্মুক্ত ছিলো। হযরত (স) তিন হাজার সাহাবী নিয়ে সে উন্মুক্ত দিক...