Posts

Showing posts from September, 2026

বেগুনের মোজাইক ভাইরাস রোগঃ🍆🍆

  ✅রোগের লক্ষণঃ ১. প্রথমে পাতায় হলুদ ছোপ ছোপ দাগ পড়ে এবং একসময় সমস্ত পাতা হলুদ হয়ে যায়। ২. গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, গাছ তুলনা মূলক খাঁটো আকৃতির হয়। ৩. ভাইরাস আক্রান্ত গাছে ফুল ফল ধারন কমে যায়। ✅রোগের কারণঃ মোজাইক ভাইরাস মূলত বীজ বাহিত রোগ হলেও পরবর্তীতে বাহক পোকা যেমন সাদা মাছি, জাব পোকা ও শ্যামা পোকা দ্বারা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ✅প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ ১. ভাইরাস আক্রান্ত গাছ বা ক্ষেত থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাবে না। ২. বীজ শোধনের পর বীজতলায় বীজ বপন করতে হবে। ৩. মাটিতে সরাসরি বীজ বপন না করে প্লাস্টিকের ট্রেতে কোকোপিট দিয়ে চারা তৈরি করতে হবে। ৪. মাটিতে সরাসরি বীজ বপন করলে অবশ্যই বীজতলার মাটি শোধন করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে ডলোচুন প্রয়োগ করে মাটি শোধন করা সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি। ৫. মাটির পিএইচ মান ৬.৫-৭.০ পর্যন্ত রাখতে হবে। ৬. চারা মূল জমিতে রোপণের আগে চারা  শোধন করতে হবে এবং অবশ্যই মাটি শোধন ও মাটির পিএইচ ৬.৫-৭.০ নিশ্চিত করতে হবে। ✅রোগ হয়ে গেলে প্রতিকারঃ  উপরোক্ত নিয়মগুলো মেনে চারা রোপণ নিশ্চিত করতে হবে। তবে এরপরও যদি রোপণকৃত চারায় ভাইরাস রোগের লক্ষণ দেখা দেয় ...

ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে কি?

 উত্তর আন্দামান সাগরে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ তৈরি হতেপারে। পর্যাপ্ত দূরত্ব ও অনুকূল পরিবেশের কারনে সিস্টেমটি কিছুটা শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রাথমিকভাবে একটি নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপে পরিনত হওয়ার জোড়ালো সম্ভাবনা রয়েছে। এটি লঘুচাপে পরিনত হওয়ার পরে প্রথমে উত্তর পশ্চিম দিকে ও মধ্যো বঙ্গোপসাগরে আসার পরে পশ্চিম উত্তর পশ্চিম দিকে উড়িষ্যার দিকে অগ্রসর হতেপারে। তবে এটি শক্তিশালী কোনো ঘূর্ণিঝড়ে পরিনত হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত কম। কিন্তু কিছু প্যারামিটারের সাপোর্ট পেলে একটি সাধারণ মানের ঘূর্ণিঝড়ে পরিনত হওয়ার ৫৫% সম্ভাবনা আছে। যদিও এখনো পুরো নিশ্চিত নয়। তবে পশ্চিমা প্রভাব তেমন না থাকার কারনে এটি গড়ে পশ্চিম দিকে বা উত্তর পশ্চিম দিকে উড়িষ্যার দিকেই যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি এখন পর্যন্ত। এই সিস্টেমের প্রভাবে বাংলাদেশে ২০-২৪ তারিখের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৃষ্টি বাড়তে পারে।তবে এটা নির্ভর করবে সিস্টেম টির গতিপথের উপরে।  আমরা বিষয় টি গভীর ভাবে পর্ষবেক্ষণ করছি। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া মাত্রই আপনাদের জানিয়ে দিবো। আপাতত কোনো গুজবে কান না দিয়ে সতর্ক ও সচেতন থাকুন সাথে সরকারি আবহাওয়া অধিদপ্তরের আপড...

এআই দিয়ে ছবি বানাতে কেন এত পানি ও বিদ্যুৎ লাগে

মধ্য তাইওয়ানের চ্যাংহুয়া কোস্টাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গুগলের ডেটা সেন্টারের শীতলীকরণব্যবস্থাছবি: রয়টার্স মুঠোফোনে কয়েকটা শব্দ লিখে দিলেন, আর চোখের পলকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) একটি চমৎকার ছবি বানিয়ে দিল। যেমন কয়েক দিন আগে থেকে আশির দশকের ছবি বানানোর একটা ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। কাজটা এখন এতটাই সহজ যে এর পেছনের জটিলতা নিয়ে আমরা খুব একটা মাথা ঘামাই না। কিন্তু আপনার ওই একটি ‘কমান্ড’ বা নির্দেশ পালন করতে গিয়ে পর্দার আড়ালে খরচ হয়ে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ পানি ও বিদ্যুৎ। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক—একজন মানুষ যখন নিজের ঘরে বসে স্মার্টফোনে এআই ব্যবহার করছেন, তখন তাঁর তো এক ফোঁটা পানিও খরচ হচ্ছে না। তাহলে এআই কোম্পানিগুলো কেন বলছে যে তাদের প্রচুর পানি লাগছে? এমনকি এই পানির হিসাব মেলাতে তারা সমুদ্রের তলদেশে ডেটা সেন্টার বসানোর কথাও ভাবছে! চলুন, এসব প্রশ্নের উত্তরগুলো জেনে নেওয়া যাক। ধরা যাক, আপনি চ্যাটজিপিটি বা মিডজার্নির মতো কোনো এআই টুলে লিখলেন, ‘পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যাস্তের একটি ছবি বানাও।’ এ নির্দেশ ইন্টারনেট হয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে চলে যায় দূরের কোনো এক ডেটা সেন্টারে। এ...