Posts

এক জন মুক্তিযুদ্ধা জলিলের সাক্ষাৎকার (পর্ব 2য়)

প্র : এটা কোন সময়? উ : ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে। তারপর আমরা নওগাঁ ‘মহকুমা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করলাম। সেই সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হলো। প্র : এই সংগ্রাম পরিষদে আর কারা কারা ছিলেন-তাদের নাম আপনার মনে আছে? উ : হ্যাঁ, সংগ্রাম পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন বায়তুল্লাহ সাহেব। মেম্বার ছিলেন ন্যাপ মোজাফফরের রকিব সাহেব, ন্যাপ ভাসানীর মাজহারুল হক পোনা সাহেব। আমাদের আরো নেতৃবৃন্দ তাতে ছিলেন। এম. এন. এ. এবং এম. পি. রাও ছিলেন। সংগ্রাম পরিষদে আওয়ামী লীগের লোকজন বেশি থাকলেও সেটা সর্বদলীয় ছিলো। প্র : কমিউনিস্ট পার্টির কেউ তাতে ছিলেন কি? উ : তখন কমিউনিস্ট পার্টির তৎপরতা নওগাঁতে ছিলো না। দুই ন্যাপ ছিলো। প্র : ওয়ালী ন্যাপ, ভাসানী ন্যাপ? উ : হ্যাঁ, তখন ওয়ালী ন্যাপ আর ভাসানী ন্যাপের তৎপরতা নওগাঁতে বেশ ছিলো। প্র : নওগাঁ সংগ্রাম কমিটির অফিস কোথায় ছিলো এবং এই সংগ্রাম কমিটির ভূমিকা কি ছিলো? উ : অফিস ছিলো নওগাঁ বার অফিসে, আইনজীবী সমিতির যে বিল্ডিংটা, সেখানে। ওটা ছিলো অফিস। ওখান থেকে গোটা মহকুমার আন্দোলন কর্মকান্ড কো-অর্ডিনেট করা হয়েছে। বিভিন্ন থানায় থানায়, গ্রামেগঞ্জে মানুষকে এর সঙ্গে সম্পৃক...

এক জন মুক্তিযুদ্ধা জলিলের সাক্ষাৎকার (পর্ব ১)

নাম : মো: আবদুল জলিল পিতা : মরহুম ফয়েজউদ্দীন আহমেদ মাতা : মিসেস জরিনা ফয়েজ গ্রাম/মহল্লা : চকপ্রাণ, পৌরসভা : নওগাঁ বর্তমান মহল্লা : ফয়েজ ভিলা, চকদেব, ওয়ার্ড : চকএনায়েত, পৌরসভা : নওগাঁ, থানা : নওগাঁ, জেলা : নওগাঁ (১৯৭১ সালে রাজশাহী জেলার অন্তর্গত মহকুমা) শিক্ষাগত যোগ্যতা : বি. এ. (অনার্স), এম. এ. (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ১৯৭১ সালে বয়স : ৩২ ১৯৭১ সালে পেশা : ব্যবসা বর্তমান পেশা : ব্যবসা, চেয়ারম্যান, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি:, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ প্র : আপনি ছাত্র রাজনীতির সাথে কিভাবে যুক্ত হয়েছিলেন? উ : ছাত্রলীগের মেম্বার হলাম ১৯৫৭ সালে যখন আমি রাজশাহী কলেজে ভর্তি হই। সেই সময় আমি ছাত্রলীগের মেম্বার হলাম এবং রাজশাহী কলেজ ছাত্র-সংসদে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলাম সাহিত্য সম্পাদক হিসাবে। সেই নির্বাচনে আমি সাহিত্য সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হই। অবশ্য ঐ পর্যায়ে আমি রাজশাহী কলেজে বেশিদিন ছিলাম না। এক বছর পর আমি রাজশাহী কলেজ থেকে ফিরে আসলাম এবং নওগাঁ বি. এম. সি. কলেজে ভর্তি হলাম। প্র : বি. এম. সি. কলেজের পুরো নামটা বলবেন কি? উ : বশিরউদ্দীন মেম...

ব্যক্তির ভূমিকা বড় করায় মুক্তিযুদ্ধে সাধারণের আত্মদান চাপা পড়েছে

সংবাদটি পড়ে সত্যিই বিষ্মিত হয়েছি। ১৯৭১ সালে কিছু ব্যক্তির জন্য আমাদের এই বাংলাদেশ পাই নাই বরং আপামোর সবার আত্মত্যাগের ফলে আমরা একটি স্বাধীন দেশ যার নাম বাংলাদেশ ।তবে কিছু ব্যক্তির অবদান কম নয় ।বর্তমান অবস্থায় সাধারণ ব্যক্তি অবদানের কথা সবাই ভূলে গিয়েছে বাংলার মানুষ। ভূলার কারন আছে ব্যক্তি বিশেষ কে বড় করে দেখা হয় যার কারনে সাধারন ব্যক্তির মহান আত্মত্যাগকে ছোট করে দেখা হয় ( বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ) অবলম্বনে
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম রমজানের ফাযায়েল ও মাসায়েল ভূমিকা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ মেহেরবানী ও দয়া এই যে , মানুষের জন্য কিছু দিন ও সময় নির্ধারিত করে দিয়েছেন , যাতে করে আল্লাহর রহমত ও দয়ায় ভরপুর হয়ে যায় । এবং বেশী করে আল্লাহর নৈকট্য ও উচু মর্যাদা অর্জন করা যায় । আমাদের প্রিয় নবী ( সা .) একটি হাদীসে রমজান মাসের এরূপ গুরুত্ব দিয়েছেন যে , আপন জিন্দীগীতে সৎকাজ কর , এবং আল্লাহর রহমতের দ্বারা পরিপূর্ন হও , যার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ হয় , আল্লাহর রহমত প্রাপ্ত হও । ঐ সকল বরকত ময় সময়ের মধ্যে রমজান মাস একটি পবিত্র মাস , যে মাসে তার বান্দার উপর আল্লাহ তাআলা রোজাকে ফরজ করে দিয়েছেন । যাহা ইসলামের মহান স্তম্ভ সমূহ থেকে একটি স্তম্ভ ( বা রোকোন ) । আহলান সাহলান মাহে রমজান - পবিত্র রমযান মাসের ফজিলত এবং আগমনকে স্বাগতম । রাসুল পাক ( সা .) পবিত্র রমযান মাসের আগমনে সু - সংবাদ দিয়েছেন এবং রমজানের দিনগুলো ও সময়ের মূল্যায়নের দিকে উৎসাহিত করেছেন । অনুরূপ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বৎসরে সকল মাসের তুলনায় পবিত্র রমযান মাসকে বিশেষ ফজিলত ও বৈষিষ্ট দান করেছেন । এই রমযান মাসে লাইলাতুল কদর দান করেছেন । হযরত আবু হুরায়...

কতিপয় হাদিস

হযরত আনাস (রা) থেকে বর্নিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন : তিনটি জিনিস মৃতের পেছনে পেছনে (কবর পর্যন্ত) যায় : তার আত্মীয় পরিজন, ধন সম্পদ ও তার আমল (নেক বা বদ্) অতঃপর দু'টি ফিরে আসে আর একটি (তার সাথে) থেকে যায় । তার আত্মীয় পরিজন ও সম্পদ ফিরে আসে এবং তার আমল তার সাথে থেকে যায়। (বুখারী ও মুসলিম) হযরত কা'ব ইবন ইয়াদ (রা) থেকে বর্নিত । তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি : প্রত্যেক জাতির জন্য একটি ফিতনা (পরীক্ষার বস্তু) আছে । আর আমার উন্মতের ফিতনা হলো সম্পদ (তিরমিজী) হযরত আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)থেকে বর্নিত । তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চাটাইয়ের (মাদুর) ওপর শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুম থেকে ওঠার পর আমরা তার মুবারক শরীরে চাটাইয়ের দাগ দেখে বললাম, ইয়া রাসুল্লাল্লাহ ! আমরা যদি আপনার জন্য একটি তোষক বানিয়ে দিতাম ! তিনি বললেন : দুনিয়ার সাথে আমার কি সম্পর্ক? আমি তো দুনিয়াতে এরুপ একজন মুসাফির, যে গাছের ছায়াতলে বিশ্রাম নেওয়া, অতঃপর তা ছেড়ে দিয়ে চলতে শুরু করে (তিরমিজী)

সংবাদ পরিক্রমা

নির্মম আর বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়ে কুয়েত থেকে গতকাল দেশে ফিরেছেন কয়েক শ’ বাংলাদেশি শ্রমিক। তাদের কেউ কেউ বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে যোগ দিলেও অনেকেই নিরপরাধ। গতকাল ভোরে দেশে ফিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর কাছে তারা তুলে ধরেন কুয়েতি আইন-শৃগ্ধখলা বাহিনীর নিষ্ঠুর নির্যাতনের কথা। তারা এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বলেন, প্রচন্ড মারধরের পর তাদের রাবার দিয়ে বেঁধে কড়া রোদের মধ্যে রাস্তায় ফেলে রাখা হয় ৩ ঘণ্টা। খালি পায়ে হাঁটানো হয় উত্তপ্ত রাস্তায়। নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্পে পানি পানি বলে চিৎকার করেও পাওয়া যায়নি পানি এমন অভিযোগও করেছেন এক শ্রমিক। এভাবে দফায় দফায় পেটানোর প্রায় দুই দিন পর শেষে মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাদের জোরপহৃর্বক তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশমুখী বিমানে। অথচ তাদের সবাই ধর্মঘটে ছিলেন না। অনেকেই জানেন না কী তাদের অপরাধ। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আসে যাদের হাত দিয়ে দেশের সেই সোনার ছেলেদেরই একজন মহসিন। কুয়েত থেকে ফিরে গতকাল সাংবাদিকদের জানান আটককৃত বাংলাদেশিদের ওপর কুয়েতি আইন-শৃগ্ধখলা বাহিনীর নির্যাতনের কথা। মহসিন বলেন, ‘আমাদের ধরে নিয়ে একটি মিলিটারি ক্যাম্পে সামনে জড়ো করা হয়। রাবার দি...

কৌতুক

ছাএ ও শিক্ষকের মধ্যে কথোপকথন ১ম দিন স্যার : কি খাচ্ছ? ছাএ : আইসক্রিম । স্যার : আইসক্রিম খাওয়া ভালো নয়, আইসক্রিমে কেমিক্যাল থাকে । ২য় দিন স্যার : পড়, ‘ঘুষ খাওয়া ভালো নয়’ ছাএ : কেন স্যার? ঘুষেও কি বিষাক্ত কেমিক্যাল থাকে? বালিকা: আমার মনে হয় গরিব লোক বেশি সুখি বালক : তাহলে তুমি আমাকে বিয়ে কর তবে আমরা সুখি পরিবার গড়তে পারব চেয়ারম্যান: আমি যদি এবার চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে এই এলাকায় একটি ব্রিজ করে দিব জনৈক ব্যাক্তি: এই গ্রামে তো কোনো খাল নেই, আপনি ব্রিজ করবেন কিভাবে? চেয়ারম্যান: (ভূল বুঝতে পেরে) প্রথমে খাল করব তারপর ব্রিজ করব। শিক্ষক : আচ্ছা, ‘বিবিসি’ মানে কী বল তো? ছাত্র : বাংলাদেশ বিস্কুট কোম্পানি। শিক্ষক : বেয়াদব! বাড়ি কোথায়? ছাত্র : এটাও হতে পারে, স্যার। ১ম বন্ধু : জানিস, বাড়ি থেকে পালিয়ে যেদিন নিশিকে বিয়ে করলাম, ঠিক সেদিনই জুতোর বাড়ি খেতে হল! ২য় বন্ধু : আমার ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই নিশির বাবার হাত ছিল! ১ম বন্ধু : না না, হাত নয়! ওটার মধ্যে নিশির বাবার ‘পা’ ছিল! খদ্দের : (রেগে গিয়ে) বেয়ারা, আমার চায়ে মাছি কেন? বেয়ারা : তাহলে এবার বুঝুন স্যার, মাছিটা পর্যন্ত টের পেয়ে গেছে আমার চা...

মহাবিশ্বের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা হচ্ছে পৃথিবীতে!

আমাদের পরিচিত গণ্ডির মহাবিশ্বের শীতলতম স্থানটি হতে যাচ্ছে পৃথিবীতেই, একটি গবেষণাগারে! যেখানে আর দুসপ্তাহ পর শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক এক্সপেরিমেন্ট। সেখানকার তাপমাত্রা আর কিছুদিনের মধ্যেই নেমে আসবে মাইনাস ২৭১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে (১.৯ কেলভিন)। যেখানে দূর মহাবিশ্বের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা মাইনাস ২৭০ ডিগ্রি বলেই জানেন বিজ্ঞানীরা। গবেষণাগারটি হচ্ছে সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের সীমান্ত এলাকায় মাটির নিচে স্থাপিত ইউরোপীয় গবেষকদের স্বর্গভূম সার্ন-এর ল্যাবরেটরি। ওখানেই লার্জ হাড্রন কোলাইডার দিয়ে দুপাশ থেকে আলোর বেগে প্রোটন কণা ছুড়ে জানা যাবে মহাবিশ্ব সৃষ্টির আদি অবস্থা। আলোর বেগে ছুটে আসা প্রোটন ও সংঘর্ষে সৃষ্ট তাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেই ক্রিওজেনিক প্রযুক্তিতে এই শীতলীকরণ করা হয়েছে। গতকাল রাত ৮ পর্যন্ত সার্নের ৮টি অংশের মধ্যে ৬টি অংশের তাপ ৪.৫ ডিগ্রি কেলভিনে নামানো হয়েছে। ১ দশমিক ৯ কেলভিন হলেই লার্জ হাড্রন কোলাইডারের সুইচ অন করবেন বিজ্ঞানীরা। সূএ: দৈনিক আমাদের সয়ম

কিছু ছবি

Image

ডিপ ফ্রিজ

ডিপ ফ্রিজ ডিপ ফ্রিজ এমন একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে আপনার নিজের কম্পিউটার কে অনেক নিরাপদে রাখিতে পারিবেন । আর যদি আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাতে তো ভাইরাসের ভয় আছে আর হা যদি ডিপ ফ্রিজ থাকে তাতে ভয় পাবার কিছু নাই । ধরুন আপনার কম্পিউটার কেউ ব্যবহার করিল আর আপনার অনেক প্রয়োজনীয় ফাইল সে ডিল্টিট করে ফেলে আর সে টি পেতে পারেন আবার নাও পারেন । তবে হ্যাঁ যদি ডিপ ফ্রিজ থাকে তাহলে শুধু কম্পিউটারটি রিস্টাট করেন তাহলে লাঠা ছুকে যাবে (বিঃ দ্রঃ প্রয়োজন হলে Kzaman007@gmail.com ইমেল যোগাযোগ করিতে পারেন )

ডিপ ফ্রিজ

ডিপ ফ্রিজ এমন একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে আপনার নিজের কম্পিউটার কে অনেক নিরাপদে রাখিতে পারিবেন । আর যদি আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাতে তো ভাইরাসের ভয় আছে আর হা যদি ডিপ ফ্রিজ থাকে তাতে ভয় পাবার কিছু নাই । ধরুন আপনার কম্পিউটার কেউ ব্যবহার করিল আর আপনার অনেক প্রয়োজনীয় ফাইল সে ডিল্টিট করে ফেলে আর সে টি পেতে পারেন আবার নাও পারেন । তবে হ্যাঁ যদি ডিপ ফ্রিজ থাকে তাহলে শুধু কম্পিউটারটি রিস্টাট করেন তাহলে লাঠা ছুকে যাবে (বিঃ দ্রঃ প্রয়োজন হলে Kzaman007@gmail.com ইমেল যোগাযোগ করিতে পারেন )

সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত নামাজ

সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত নামাজ ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। নামাজ বা সালাত অন্যতম ইবাদতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই পবিত্র কোরআনুল করীমে ৮২ জায়গায় নামাজ কায়েম করার প্রতি সুস্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। ইসলামে নামাজের গুরুত্ব-তাত্পর্য যেমন অপরিসীম-তেমনি আল্লাহ পাকের রহমত ইহ-পরকালের মুক্তিলাভের প্রধান অবলম্বন হিসাবে নামাজের বৈশিষ্ট্য অতীব তাত্পর্য পূর্ণ। যে ব্যক্তি নামাজেয় আনুষঙ্গিক শর্তাবলী যথারীতি পালন করে নামাজ আদায় করবেন আল্লাহ পাক স্বীয় আশ্রয় ও নিরাপত্তায় রাখার নিশ্চয়তা প্রদান করবেন। আমাদের মহানবী হজরত রাসূলে মকবুল (সা:) বলেছেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ স্বচ্ছ নহর সমতুল্য অর্থাৎ দৈনিক পাঁচবার ঐ স্বচ্ছ পানিতে গোসল করলে যেমন শরীরের ময়লা, ধূলোবালি দূর হয়ে যায়, তেমনি পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ সমুদয় গুনাহ রশি মাফ করে দেন। রাসূলে পাক (সা:) আরো বলেছেন, নামাজ ধর্মের ভিত্তি। যে ব্যক্তি নামাজ ত্যাগ করেছে সে ধর্মকে বিনাশ করেছে। একবার কিছুসংখ্যক লোক হজরত নবী পাককে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ইয়া রাসূল্লাহ (সা:) সর্বোত্তম কাজ কোন্টি? উত্তরে আল্লাহর রাসূল ...

বিশ্ব মা দিবস

আগামী ১১ মে বিশ্ব মা । গত চার বসর থেকে প্রবাসে আছি তাই প্রতি নিয়ত মায়ের কথা মনে পড়ে তবে কিছু দিন থেকে বেশি মনে পড়ে । জানি না কেন বেশি বেশি মার কথা মনে পড়ে । হয তবা অনেক দিন থেকে দেখি নাই মায়ের মলিন মুথ তাই । তবে এথন বেশি বেশি মনে পড়ে । বারবার মায়ের কথাই মনে পড়ে ।

ঐতিহাসিক পাহাড়পুরের এক অজানা অধ্যায়

নবম শতাব্দীর শুরু থেকে কতিপয় বিদেশি রাজা আর দিম্বো নামের কৈবর্ত্য রাজা যে ইতিহাস মুছে দিতে শুরু করেন, ১২০০ শতাব্দীর সেন রাজবংশের শাসন শুরু হলে তা বাস্তব রূপ নেয়। ইতিহাস থেকে হারাতে শুরু করে পাল রাজবংশের বিশ্বখ্যাত সোমপুর বিহারের চিহ্ন। পাল রাজবংশের শাসন আমল থেকে বারবার আক্রমণ আর সেন রাজবংশের বাংলা শাসনামলে বাঙাল সেনাদের আগুন দিয়ে এই বিহার পুড়িয়ে দেয়ার চেষ্টার পর থেকে এখানকার ভিক্ষুরা চলে যেতে শুরু করেন। সেন রাজবংশের শাসনামলেই পরিত্যক্ত হয়ে যায় বিশ্বখ্যাত সোমপুর বিহার। যুগ যুগ ধরে এ বিহারের ওপর দিয়ে জমতে থাকা মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের ফলে বয়ে আসা ধুলা-বালিতে বিহারটি ঢাকা পড়ে রূপ নেয় এক বিশাল পাহাড়ের। ১৯২৩ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত তত্কালীন ইংরেজ শাসকরা খনন করে ইতিহাসের সামনে আনেন নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার অন্তর্গত পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, যা আজ এক ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে পৃথিবী বিখ্যাত। এর আগে দিনে দিনে ধুলা আর মাটির স্তর পড়ে, যা সোমপুর বিহার বা পাহাড়পুর বিহার নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। দেশ-বিদেশে হাজারো পর্যটকের কাছে এ পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ঘিরে কৌতূহল অপরিসীম। হিমালয়ের সর্বদক্ষিনে অবস্থিত রাজা দ্বিতী...

শুধু জানুয়ারিতেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা ৪৩৮

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২ হাজার ৩২০ জন। মোট ৩২৯টি দুর্ঘটনা এই হতাহতের কারণ। লেবার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এক জরিপ প্রতিবেদনে এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও নিজস্ব সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জরিপ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনার মধ্যে গাড়ির ধাক্কার ঘটনা ১১৮টি, যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ৪৬টি, নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে গাড়ি উল্টে পড়ার ঘটনা ৪১টি এবং অন্যান্যভাবে পাঁচটি। যত্রতত্র রাস্তা পারাপার, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, জোর করে ওভারটেক, ফিটনেসহীন গাড়ি ব্যবহার, ট্রাকচালকের মাদকাসক্তি ইত্যাদিকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

নিচের পানির ওপর চাপ কমাতে পারে মরা খাল সংস্কার

দেশের দেড় হাজার খালের মধ্যে এক হাজারেরও বেশি মরে যাচ্ছে। যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে কৃষি ক্ষেত্রে। সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা বাড়ায় পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়াসহ পরিবেশগত নানা বিপর্যয়ও দেখা দিচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, মরা খালগুলো সংস্কার করা হলে এগুলোর পানি দিয়েই আরও সাড়ে ৭ লাখ একরেরও বেশি জমি সেচের আওতায় আনা সম্ভব। যা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতাও অনেকটা কমাবে। সরকারি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে খালের সংখ্যা ১৪৭৯টি। এর মধ্যে খরা মৌসুমেও প্রয়োজন অনুপাতে পানি থাকে- এমন খালের সংখ্যা ১৩২টি। বড় নদী কিংবা শাখা নদী থেকে বিল, হাওড়, বাওড় প্রভৃতির সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী খাল রয়েছে ২৯৮টি। বাকি খালগুলোর মধ্যে কোনও কোনওটিতে খরা মৌসুমে মাঝে-মধ্যে পানি থাকে; আর অন্যগুলোতে খরা মৌসুমে পানি থাকে না। শুকনা মৌসুমে পানি না থাকা খালগুলোকে 'মরা খাল' (আনফিট) বলছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, মরা খালগুলো খনন বা সংস্কার করলে এগুলোর বিলুপ্তি যেমন ঠেকানো যাবে, তেমনি এগুলোর পানির ব্যবহার ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতাও অনেকটা কমাবে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উপ-সচি...

সচল হচ্ছে রাজনীতির চাকা

Image
ক্রমেই সচল হচ্ছে রাজনীতির চাকা। জরুরি অবস্থার কারণে দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকার পর মুখ খুলতে শুরু করেছেন রাজনীতিবিদরা। দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতারা সরাসরি সরকারবিরোধী বক্তব্য রাখতে শুরু করেছেন। কয়েকদিন আগেও যারা রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকতেন তারাও হয়ে উঠছেন সোচ্চার। দ্রব্যমূল্য, দুই নেত্রীর মুক্তি ও নির্বাচন নিয়ে তারা খোলামেলা কথা বলছেন। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের চাপে ঘোষণা করছেন আন্দোলনের কর্মসূচি। দাবি জানাচ্ছেন জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের। ঐক্য গড়ার কথা বলছেন প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে।মূলত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ইস্যুতেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন রাজনৈতিক নেতারা। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিই মুখ খুলে দিয়েছে তাদের। এর সঙ্গে নতুন মাত্রা যোগ করেছে দুই নেত্রীর মুক্তির বিষয়টি। আগামী ২০ এপ্রিলের আগেই গণঅনশনের কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রীয় নেতারা এ মুহর্তে কোনো ধরনের কর্মসূচি দিতে আগ্রহী না থাকলেও মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবির মুখে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি, চিকিত্সার জন্য বিদেশ পাঠানো, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ...

বাতাসে লাশের গন্ধ

জেলেপল্লী শরণখোলার বাতাস এখন মাছ নয়, ভারী হয়ে উঠেছে লাশের দুর্গন্ধে। তিন দিন আগে প্রলয়ঙ্করী ঝড় 'সিডর' এর আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে উপকূলীয় এ জেলে গ্রামটি। গ্রামের পথে হেঁটে গেলে মনে হবে এ যেন এক মৃত্যুপুরী। চারপাশে শুধু নারী, পুরুষ আর শিশুর মৃতদেহ। ধানক্ষেত আর বিধ্বস্ত ঘরবাড়িতে পড়ে থাকা লাশগুলো দেখে উদ্ধারকর্মী ও সাংবাদিকরাও চোখের পানি আটকে রাখতে পারেননি। রোববার বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার এসেছিল খাদ্য, ওষুধ ও পানি নিয়ে। স্থানীয় এক বৃদ্ধ উদ্ধার কর্মীদের কাছে চাইলেন লাশ ঢাকার কাপড়। নদীর তীর থেকে একটি মৃতদেহ তুলে আনার সময় বৃদ্ধ জানালেন, সারাদিন ধরে তারা নদী থেকে লাশ তুলে আনছেন। এই লাশগুলোকে কবর দেওয়ার জন্য কাফনের কাপড় দরকার। গ্রামের অপর এক অধিবাসী মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন,স্বজন হারানোর বেদনা অসহনীয়। কিন্তু নিজেদের বেঁচে থাকার জন্য খাবার আর ওষুধ দরকার। বলেশ্বর নদীতে একের পর এক লাশ ভেসে উঠছে বলে জানালেন মোহাম্মদ ইউসুফ। পানি থেকে তোলা ফুলে ওঠা লাশের গন্ধে চারপাশের বাতাস ভারী হয়ে গেছে। মানুষের লাশ ছাড়াও প্রচুর গবাদিপশুর মৃতদেহ ভাসছে বলেশ্বর ও আশপাশের নদীর বুকে। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক মনির হ...

উপায় আছে হাতের কাছেই

যে কোনো রোগ হলেই আমরা প্রথমেই ছুটে যাই ডাক্তারের কাছে। খাই নানা ওষুধ ও পথ্য। অথচ আমরা একবারও ভেবে দেখি না বিভিন্ন রকমের খাদ্যে যেসব উপাদান আছে তা রোগ প্রতিরোধে কতখানি সহায়ক। আর এসব খাবার নিয়ম করে খেলে ওষুধের কোনো প্রয়োজনই পড়ে না। কাশি সারাতে তুলসী ও বাসক পাতা অনেক দিন থেকেই কাশির জন্য কষ্ট পাচ্ছেন, চলাফেরা করতে পারছেন না এ ক্ষেত্রে তুলসী পাতার রস করে বাসক গাছের ছাল সিদ্ধ করে রস তৈরি করে মিশিয়ে নিন। দুই চা-চামচ করে দিনে দুই-তিনবার খাবেন। কাশি সম্পূর্ণ সেরে যাবে। এ ছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাস, অন্ত্রে ঘা হলে তুলসী পাতার রস খেলে তাড়াতাড়ি সেরে যাবে। নিয়মিত তুলসী পাতার রস খেলে বুকের অথবা গলায় কোনো অসুখ হতে পারে না। তুলসী ম্যালেরিয়ার জীবাণু নাশ করে। অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও তুলসীর ক্রিয়া কার্যকরী। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে যষ্টিমধু, লেবু কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে অনেকেই ডুস ব্যবহার করেন। পারগেটিড কিংবা লারগেটিড খান অনেকেই। অথচ কোষ্ঠ পরিষ্কারের উপায় রয়েছে হাতের কাছেই। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে যষ্টিমধু, হরিতকী, জায়ফল, বহেরা প্রভৃতি ফল ভেজানো পানি খাবেন। উপকার হবেই। এ ফলগুলো পাবেন বেলের দোকানে। ব্যবহারের আগে অবশ্যই ...

আমি লাঙ্কাটা ছিলাম ভাল ছিলাম ভাল ছিল শিশুকাল (মনির খানের গান)